অসহায়ের এক জীবণের গল্প, জাহেদার জীবণ জিবিকা!

অসহায়ের এক জীবণের গল্প, জাহেদার জীবণ জিবিকা! ছবি-আকাশ
সুপ্রভাত বগুড়া (জীবন-জীবীকা):  কোথায় কে যে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, কয় জন তাদের খবর রাখে। হঠাৎ করে একজন বৃদ্ধা মহিলাকে ভ্যান টেনে নিয়ে যেতে দেখলাম।  এক বৃদ্ধ বিধবা মহিলাকে  জিজ্ঞাসা করলাম  নাম কি? সে বলল-  নাম জায়দা,স্বামী জান্তা, বাড়ী বগুড়া সদরের পলাশ বাড়ী। ২জন মেয়ে ও ৪ জন ছেলে ও স্বামী নিয়ে ছিল তাদের ছোট  সংসার।
অভাবে অনাটনে  চলত তাদের সংসার। গত ১০ বছর পূর্বে বগুড়ার মানবতার প্রতিক, গরীব ও দুঃখীদের চির সাথী, অভাবীদের অভাব মোচনকারী টিএমএসএস -এর প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদের উজ্জল নকত্রদের একজন  প্রফেসর হোসনে আরা বেগম। তার   প্রতিষ্ঠানে  প্রথমে ৫০ টাকা দিন হাজুরায় কাজে যোগদান করে জাযদা। এর কয়েক মাস পর  ৬০ টাকা দিন হাজুরা পায়।
আস্তে  আস্তে  ৭০ টাকা ৮০ টাকা, ১৩০ টাকা,  ১৫০ টাকা, বর্তমানে ১৮০ টাকায় কাজ করছে।  এভাবেই জায়দার সংসার স্বচ্ছলতার দিকে এগিয়ে চলেছে।  জায়দার হাতে কাস্তে ও ভ্যান গাড়ী ঠেলিযে তার দিনের কাজ শুরু করে।ছেলেরা বড় হয়েছে, ইতি মধ্যে স্বামীও মৃত্যু বরণ করেছে,  কাজ তাকে ক্লান্তিতে বসিয়ে রাখতে পারেনি।
সকাল হলেই বাড়ী থেকে কাজে যোগদানের জন্য ঠেঙ্গামারায় চলে আসে। সে জানায় হোসনে আরা ম্যাডাম কত যে অভাবীর সংসারে আলোর বাতি জ্বালিয়ে দিযেছেন,  কত মা ও স্বামী পরিত্যাক্তা বোনকে কর্মের সন্ধান করে দিয়েছেন তা বলে শেষ করা যাবে না।
আমি ম্যাডাম ও  তার পরিবারের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদেরকে এবং টিএমএসএস এর সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের নেক হায়াত দান করেন এবং এ সংস্থাকে আরও উন্নত করেন।
ছবিটি ক্যামেরায় বন্দি করা হয়েছে ঠেঙ্গামারা রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে বিশ্ব রোড থেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here