আজ ২৮মে, বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস

254

সুপ্রভাত বগুড়া (প্রচ্ছদ): “মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু, যেন ভাই, ইহার চেয়ে নাম যে মধুর তিন ভূবনে নাই”। কবির এই চরণ গুলির যথার্থতা সেই বোঝে যার জীবন কাটে মা বিহনে। আসলে মা হারানোর আগে সন্তান বোঝেনা বলেই আজ কত মা কে কাটাতে হয় বৃদ্ধাশ্রমে।

অথচ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে কত কষ্টই না সহ্য করেন একজন মা। কত মাকে অকালে প্রাণও হারাতে হয়। নিরাপদ মাতৃত্ব মায়ের মৌলিক অধিকার। এটা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। মা শব্দের মতই পরম মমতায় পূর্ণহোক প্রতিটি মাতৃত্বকালীন সময়। নিরাপদ খাকুক প্রতিটি প্রসূতী মা ও শিশু।

আজ ২৮ মে,  বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। অন্যান্য বছর বাংলাদেশে দিবসটি নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়ে থাকে। এবার করোনার কারণে সেভাবে কোনো আয়োজন করা হয়নি। ১৯৯৭ সাল থেকে দিবসটি দেশে পালন করা হচ্ছে।

নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পরিসংখ্যান মতে, দেশে প্রতি এক লাখ প্রসবে ১৭৬ জন মায়ের মৃত্যু হয়। প্রতি হাজারে নবজাতক শিশু মৃত্যুর হার ২১ জন। এসডিজি অর্জন করতে হলে, শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ১২ জনে নামিয়ে আনতে হবে।

মাতৃমৃত্যুর হার ৭০-এ নামিয়ে আনতে হবে। এ কার্যক্রম চলছে। মায়ের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে প্রথম সন্তান প্রসবের পর তিন বছর বিরতি নেয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদফতরের।

একই সঙ্গে গর্ভবতী মায়েদের ভারী জিনিস বহন না করা, নিয়মিত টিকা নেয়ার পাশাপাশি অ্যান্টিনেটাল কেয়ার বা পোস্ট নেটাল কেয়ার নেয়া এবং বাড়িতে প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত ক্লিনিক ও হাসপাতালে নেয়ার জন্য স্বজনদের প্রতি আহ্বান অধিদফতরের।