আবারও বাড়ছে আত্রাই নদীর পানি,বাঁধ ভাঙ্গা এলাকার মানুষের দুর্ভোগ সীমাহীন

78

সুপ্রভাত বগুড়া (আবুহেনা,আত্রাই নওগাঁ,প্রতিনিধি): প্রতিদিন ই ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আবারও বাড়তে শুরু করেছে আত্রাই নদীর পানি। ছোট যমুনা ও আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধিতে বিপদ যেন কাটছেনা ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধের জন্য বিল এলাকার জনসাধারণের। ফলে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আবারও অবনতি হয়েছে।

উপজলার আত্রাই- বান্দাইখাড়া পাকা সড়কের জাতআমরুল ও আহসানগঞ্জ সুইচগেটের উত্তর পার্শ্বে এবং আত্রাই- সিংড়া পাকা সড়কের বৈঠাখালী ও পাঁচুপুর ও মালিপুকুর নামক স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে অসংখ্য গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে।নদ-নদীর অববাহিকার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মানুষ, পশু পাখি সকালের বর্তমানে দুর্ভোগ সীমাহীন।

বাঁধ ভাঙ্গার ফলে সাহাগোলা ইউনিয়নের,মিরাপুর,উদনপৈ। হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের বান্দাইখাড়া, নন্দনালী, কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগাহালী,শলিয়া, ধনেশ্বর, বাজেধনেশ্বর, গোয়ালবাড়ি, আহসানগঞ্জ ইউনিয়নর সিংসাড়া, দীঘা,কাশ্যবপাড়া দমদমা, ব্রজপুর, পাঁচুপুর ইউনিয়নের মধুগুড়নই, পাঁচুপুর,সাহেবগঞ্জ, বাঁকিওলমা, কাঁদওলমা,মালিপুকুর বিশা ইউনিয়নর বৈঠাখালী, পারমাহনঘোষ, বিশা, থৈলওলমাসহ শতাধিক গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবদী হয়ে পড়েছে।

আবার ও নদীতে পানি বৃদ্ধিতে বানভাসি পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে প্রায়ই লক্ষাধিক মানুষ। পানিবন্দি মানুষদের বাড়ির ভিতর পানির স্রোত, ঘরের ভিতর থৈ-থৈ পানি, মেঝেতে গর্ত, তার মধ্যেই আড়ার ওপর মাচা পেতে জিনিসপত্র রেখে ভয়, আতংক, দুশ্চিন্তায়, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য, ওষুধপাতির সংকটে, পয়ঃনিস্কাশনের চরম সমস্যায় মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা।

অনেকেই পশু-পাখি, গরু-ছাগল নিয়ে রাস্তার উঁচু স্থানে পলিথিন টানিয়ে ঘর তৈরি করে থাকছে।
আবার কেউ কেউ অবস্থান নিয়েছে স্কুল কলেজে। বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরে এলাকার পানিবন্দি অনেক মানুষ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা প্রায় প্রতি বছরই বন্যায় পানিতে ভাসি অথচ আমাদের মেম্বার চেয়ারম্যানের কোন খবর নেই, কি ভাবে বেঁচে আছি আমরা। দেখার সময় নেই ওদের।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.ছানাউল ইসলাম বলেন,সব রকম চেষ্টা অব্যাহত আছে,তবে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে শুকনো খাবার চাল, চিড়া, মুড়ি, গুড়, শিশু খাদ্য বিতরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।