করোনায় অচলাবস্থার মধ্যেও বিশ্বের অনেক দেশ আশার আলো দেখছে !

112

সুপ্রভাত বগুড়া (আন্তর্জাতিক): পুরো বিশ্বই এখন কার্যত অচল। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিভিন্ন দেশে চলছে লকডাউন। এর মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আশার আলো। স্পেনে গত সাত সপ্তাহের মধ্যে এই প্রথম বয়স্করাও হাঁটাহাঁটি করতে বাইরে বের হতে পারছে। ফ্রান্সও পরের সপ্তাহে লকডাউন তুলে নেবে। ১১ই মে থেকে ফ্রান্সে বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে পর্যায়ক্রমে, কোথাও কোথাও কিছু বাণিজ্য চালু হবে।

পর্তুগালে ছয় সপ্তাহ ধরে চলছিল জরুরি অবস্থা। দেশটি এখন তিন ধাপে পরিকল্পনা করেছে যেভাবে এই অচলাবস্থা নিরসন করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি লোক মারা গেছে। দেশটির অর্ধেকের বেশি রাজ্যে লকডাউন শিথিল হয়েছে। থাইল্যান্ডে খুলে দেয়া হয়েছে কিছু খাবার দোকান ও পাব। হংকং সরকার কিছু কিছু কর্মক্ষেত্র খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জর্ডানে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বাধা নেই। তিউনিসিয়ায় খুলে দেয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ শিল্প। মিশরে অভ্যন্তরীনদের জন্য হোটেল খুলে দেয়া হচ্ছে। তবে সেখানে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে ২৫ শতাংশ। ইরানে অনেক শহরে মসজিদ খুলে দেয়া হয়েছে।

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে লোকজন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে ঘরে থাকার পর আজ সোমবার সকাল থেকে ইটালিতে সরকার লকডাউনের বিধি-নিষেধ ধীরে ধীরে তুলে নিতে শুরু করেছে। এই দেশটিতেই সর্বপ্রথম লোকজনকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এক সময় করোনাভাইরাস মহামারির কেন্দ্রও হয়ে ওঠেছিল এই ইটালি।

প্রধানমন্ত্রী জোসেপে কন্টি বলেছেন, লকডাউন পুরোপুরি তুলে নেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে সংক্রমণের গতি-প্রকৃতির ওপর। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন এই বিধি-নিষেধ শিথিল করাকে যেন ‘আমরা করোনাভাইরাস থেকে পুরোপুরি মুক্ত’ সেভাবে দেখা না হয়।