কাজীর দূর্নীতিতে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি পাচ্ছেনা শিক্ষিকা

34
কাজীর দূর্নীতিতে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি পাচ্ছেনা শিক্ষিকা!
সুপ্রভাত বগুড়া (এম রাসেল আহমেদ জয়পুরহাট প্রতিনিধি): প্রতারক দূর্নীতিবাজ মাসুদ রানা নামের এক সাব কাজির কারন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা তাঁর গর্ভে থাকা সন্তানের পিতৃ পরিচয় পাচ্ছেনা বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। বিয়ের কাবিন নামার নকল না দেওয়ায় আইনের আশ্রয় নিতে না পেয়ে বাধ্য হয়ে তাঁর স্বামী উপজেলার শুকুরমূহী গ্রামের মোতরাজ আলীর ছেলে মাফির বাড়ির দরজায় এসে অন্তঃসত্ত্বা সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে গত দু’দিন যাবৎ অবস্থান করছেন শুকুরমুহী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লিলুফা আক্তার।
খবর পেয়ে সরেজমিনে সাংবাদিকরা গেলে ওই শিক্ষিকা বলেন, এই গ্রামে চাকুরী করার সুবাদে পরিচয় হয় মাফির সঙ্গে। আমার ব্যাক্তিগত সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে মাফি আমাকে একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক আমার আপত্তিকর কিছু ভিডিও ও ছবি উঠিয়ে ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে আমার থেকে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং নানা সময়ে আমার থেকে আড়াই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং আমাকে আপত্তিকর কুপ্রস্তাব দিলে আমি মেনে নিতে বাধ্য হই।
এক পর্যায়ে আমি অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে চাপ দিলে সে গত ৭/৭/২০ সালে ১১ লক্ষ টাকা দেনমহর ধার্য্য করিয়া আমাকে বিয়ে করে। এখন বিয়ের কথা মাফি অস্বীকার করে।  এখন কাবিন নামার নকল উঠাতে বেলখুর গ্রামের মাসুদ কাজীর বাড়িতে গেলে সে আমাকে বলে আমি বিয়ে রেজিষ্ট্রি করিনি। বাধ্য হয়ে গত দু’দিন যাবৎ আমি আমার স্বামীর বাড়ির দরজায় অবস্থান করছি।
এবিষয়ে স্বামী মাফি বলেন, ওই মেয়ের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। সে একজন চরিত্রহীণা মেয়ে। সে এলাকায় এমন একাধিক ঘটনা ঘটিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। একটি কুচক্র মহলের সঙ্গে যোগসাজশে এলাকায় আমার সন্মান নষ্ট করছে। কাজী মাসুদ রানা বলেন, আমি ওই মেয়েকে চিনিনা। তাহলে বিয়ে কিভাবে রেজিষ্ট্রি করলাম।