কোরবানীর পশুর হাটে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মহাস্থান হাট পরিদর্শন করেন ইউএনও

23
কোরবানীর পশুর হাটে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মহাস্থান হাট পরিদর্শন করেন ইউএনও। ছবি-বাপ্পী

সুপ্রভাত বগুড়া (অভিজিৎ বাপ্পী শিবগঞ্জ প্রতিনিধি): মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব কমাতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা জরুরী। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলিম ধর্মালম্বী। আর মাত্র ১০ দিন, আসছে মুসলিমদের খুশীর দিন ঈদ-উল আযহা। ঈদ উল আযহা উপলক্ষে মুসলিম ধর্মালম্বীরা তাদের স্বাধ্যমত কুরবানীর পশু গরু, ছাগল, ভেরা, মহিষ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কোরবানী করবেন।

এ সব কোরবানীর পশু বিভিন্ন হাট বাজার থেকে ক্রয় করবেন। শিবগঞ্জ উপজেলার মুসলিম ধর্মের মানুষও তাদের পছন্দ মত উপজেলার বিভিন্ন হাট থেকে কুরবানীর পশু ক্রয় করবেন। এ কারণে সরকারের নির্দেশনায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মহাস্থানহাটে বাঁশের খুঁটি দ্বারা বেস্টনী দিয়ে ৫ ফুট দূরত্ব নিশ্চিত করে কুরবানীর পশু ক্রয়-বিক্রয়ের করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন হাট কমিটি।

আজ মঙ্গলবার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মহাস্থানহাটটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবীর। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌলী মন্ডল, থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম বদিউজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সানোয়ার হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক ( অপারেশন) হরিদাস মন্ডল, মহাস্থান হাট কমিটির আজমল হোসেন, শাহাদত হোসেন, মোশারফ হোসেন প্রমুখ।

উপস্থিত হাট কমিটির সদস্যদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবীর নিদের্শনা প্রদান করেন হাটে আগত ব্যক্তিদের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা, মাস্ক ছাড়া কাউকে হাটে ঢুকতে না দেওয়া, হাটে ঢুকতে ও চালান পরিশোধের সময় ক্রেতাদের মাঝে কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এমনকি একটি পশু থেকে আরেকটিকে রাখতে হবে অন্তত ৫ ফুট দূরে সহ ১৬ টি স্বাস্থ্য বিধি নিদের্শনা মেনে কোরবানীর পশু হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় করার ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, হাটে ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবে ৫ টি’র ও বেশি হাত ধোয়ার জায়গা করা হয়েছে এবং হাটে আগাত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য ৪টি পয়েন্টে মাইক দ্বারা জন সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে। এব্যাপারে রায়নগর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, উপজেলা পরিষদ থেকে চলতি অর্থ বছরে ৩ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে হাটটি ইজারা নেওয়া হয়েছে। আমি সহ আমার পরিষদের সদস্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং হাট কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সার্বক্ষনিক পর্যাবেক্ষণ করা হচ্ছে।