ঝিনাইদহের আশাননগর মাঠে পানি অপসারন প্রতিবন্ধকতায় ৫০বিঘা জমির পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি

195

সুপ্রভাত বগুড়া (রাসেল আহাম্মেদ, ঝিনাইদহ): ঝিনাইদহের আশাননগর মাঠে পুকুর কেটে পানি অপসারনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে ডুবে ৫০বিঘা জমির পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে  “ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের আশাননগর গ্রামে ধানি জমির মাঠে অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন আর পুকুরে পানি অপসারনে।

প্রতিবন্ধকতার কারনে  ডুবে ৫০বিঘা জমির পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে,ফসলের এমন ক্ষতিতে অসহায় প্রায়  এলাকার খেটে খাওয়া কৃষক গুলা!ধানী জমি গিলে খাওয়া অধিক মুনাফার আশায় পুকুর ব্যাবসায়ী তৈয়ব আলী ও আইনালের পুকুরের কারনে পানি অপসারন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে ডুবে ৫০বিঘা জমির আবাদি ফসল নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ্য,সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উপজেলার  আশাননগর গ্রামের মাঠে ধানী জমি কেটে লাখ লাখ টাকার মাটি ভাটায় বিক্রি করে পুকুর কেটেছে ঐ এলাকার দু’জন প্রভাবশালী মালিক।

পুকুর কাটতে এলাকার কিছু কৃষক জমি দিতে না চাইলেও সেন্টিগেট পূর্বক তাদেরকে এক প্রকারে বাধ্য করে পুকুর কেটেছে সদর উপজেলার আশাননগর গ্রামের মৃত. মোহাম্মদ আলীর ছেলে তৈয়ব আলী ও পাশের চুয়াডাঙ্গা সদরের জীবনা গ্রামের মৃত সোমা মন্ডরের ছেলে আইনাল বিশ্বাস। সেই পুকুর ও মটরের পানিতে ডুবে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে আশাননগর মাঠের প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান। 

বিচলি তো করাই যাচ্ছে না বরং অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে হতবাক অসহায় কৃষকদের কোনরকম আটি বেধে ঘরে তুলতে হচ্ছে ফসল,অতিরিক্ত পানি জমে থাকার কারনে বছরে জেখানে দুইবার ফসল ফলানো জায় সেখানে অপরিকল্পিত পুকুর খননের  জন্য একবার তাও কোনরকম ফসল উৎপাদন করছে কৃষকরা,  যার ফলে জমির পাকা ধানের ব্যাপক ভাবে ক্ষতি হয়েছে আশাননগর গ্রামের কৃষকদের।

সরকারি নির্দেশনাকে পায়ে মাড়িয়ে ধানী জমি গিলে খাওয়া পুকুর ব্যাবসায়ী তৈয়ব আলী ও আইনালের পুকুর ও মটরের পানিতে ডুবে শেষ হচ্ছে মাঠের ধান। ভয়াবহ করোনা ভাইরাসে ব্যাপক ভাবে খাদ্য সামগ্রী ঘাটতি হওয়ার পরেও কোন প্রকার ব্যাবস্থা নিচ্ছে না তৈয়ব আলী ও আইনাল।

আশাননগর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষদের মধ্যে শহিদুল,সরিফুল,আয়নাল,করিম, লতিফ, রহম, আবুছদ্দি,  নয়ন ওআরিচন বেগম জানান, এই অপরিকল্পিত পুকুর খননের জন্য আমাদের আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমাদের দুইবার চাষ যেখানে সেখানে কোন রকম একবার ফসল উৎপাদন করতে পারছি তাও অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক নিয়ে তারপর।

যদি পুকুর মালিকরা পানির নিষ্কাশন বা খালের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানির নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতো তাহলে হয়তো আমরা কৃষকরা বাচতে পারতাম কিন্ত তারা চায় আরো পুকুর করতে, জাতে না খেয়ে মরতে হয় আমাদেরকে, জার কারন ফলশুরুপ  দেখা যাবে একসময়  আস্তে আস্তে আমরা আর আমাদের জমিতে চাষ করতে পারব না তাছাড়া বর্তমানে দুইবারের জায়গায় একবার চাষ করতে পারছি জার লোকশান গুনতে হচ্ছে আমাদের মত অসহায় গরিব কৃষকদের।

এবিষয়ে  ইউনিয়নের সচেতন মহল মনে করে বর্তমানে কিছু সার্থলোভি অধিক মুনাফার আশায় বিভিন্ন ভাবে আবাদি জমি অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন করছে জা একসময় আমাদের পারিপার্শ্বিক জিবনে ভয়াবহ রুপ নিবে জার ফল হয়তো এখনেই পাচ্ছি,আমরা প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন করববাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখহাসিনা একজন কৃষক বান্ধব সরকার তাই কিছু সার্থলোভী মানুষ অতিরিক্ত মুনাফার লোভে জাতে আবাদি জমি কোন ভাবেই অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন করে কৃষকদের ক্ষতি না করে।