ঝিনাইদহে সন্তানের স্বীকৃতি পেতে স্ত্রীর একাকিত্ব জীবন কাটছে স্বামীর বাড়িতে

41
ঝিনাইদহে সন্তানের স্বীকৃতি পেতে স্ত্রীর একাকিত্ব জীবন কাটছে স্বামীর বাড়িতে। ছবি-রাসেল

সুপ্রভাত বগুড়া (রাসেল আহম্মেদ, ঝিনাইদহ, প্রতিনিধি): ঝিনাইদহ সদর উপজলার উত্তর নারায়নপুর গ্রামের ডা. খাদেমুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান বাবুর বাড়ীতে স্ত্রী মর্যাদা এবং সন্তানের স্বীকৃিতি পাওয়ার আশায় একাকিত্ব জীবন পার করছে ভুক্তভোগী এক নারী রোকছানা খাতুন, প্রেম থেকে ভালোবাসা আর ভালোবাসা থেকে বিয়ে, কিন্ত কে জানতো কখনো কখনো ভালোবাসা ও মুখ থুবড়ে পরে, ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ভালোবাসার আরেক নাম বিচ্ছেদ জা ঘটেছিল ২০০৯ সালের প্রথম বিয়ের বিচ্ছেদ ঘটে দুজনের মধ্যে।

কিন্ত বিবাহ বিচ্ছেদের মধ্যে ভালোবাসা ফসল হিসাবে রোকছানার গর্বে থাকে সন্তান , বিবাহ বিচ্ছেদের পর ভালোবাসা ফসল হিসাবে রোকছানা গর্ভে আসে এক ফুটফুটে কন্যা সন্তান,পরে সেই সন্তান পৃথীবির বুকে ভুমিষ্ঠ হয়, নিরিহ রোকছানা খাতুন ভালোবাসা ফসল হিসাবে একমাত্র কন্যা সন্তানকে নিয়ে বেচে থাকার সপ্ন দেখে, হয়তো সন্তানের দিকে তাকিয়ে থেকে বাবুর এবং তার ভালোবাসার গল্প গুলা গুছিয়ে নিয়ে নতুন করে বাচার আশাই ছিল তার,

কিন্ত এক সময় রোকছানার গর্ভে বাবুর সন্তান এবং প্রেমের মায়ায় আবারো যোগাযোগ করে রোকছানার সাথে, পরে ২০১১ সালে ২৫ই ডিসেম্বর পুনরায় আবারোও বিয়ে হয় বাবু এবং রোকছানার, কিন্ত বাবুর পরিবার বিষয়টি মেনে না নিলে আবারোও ঝড় আসে হতোভাগি রোকছানার জীবনে , পরিশেষে রোকছানা বাবুর বাড়িতে থেকে একাকিত্ব জীবন পার করছে সুধু মাত্র স্ত্রীর মর্যাদা আর সন্তানের স্বীকৃতি পাওয়ার আশায়, তবে এলাকার সামাজিক মহল মনে করেন যেহেতু রোকছানা বাবুর স্ত্রী ছিল

এবং তাকে প্রথম বিয়ে করে ডিভোর্স দেয় পরে আবার রোকছানাকে বিয়ে করে তাদের ভালোবাসার ফসল হিসাবে ১১ বছরের কন্যা সন্তান মারিয়ার দিকে তাকিয়ে হলেও তাদের একসাথে এক ছাদের নিছে থেকে সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করুক তাতে সন্তান মারিয়া মা এবং বাবা দুজনকে পাবে এবং সে তার বাবার পরিচয়ে মানুষ হতে পারবে।

এ ব্যাপারে রোকছানা জানান, আমাদের প্রথম প্রেমের সম্পর্ক ছিল।কিন্তূ বাবা মা আমাকে জোরকরে বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় বিবাহ দেয়। তারপরও বাবু আমাকে বিভিন্ন ভয়ভিতি দেখিয়ে বলে এই স্বামীকে বাদদিয়ে বাবুকে বিবাহ করত হবে। এক পর্যায়ে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়ে বাবুকে বিবাহ করি। তখন আমার ও তার বাড়ি থেকে কেউ মেনে নেয়না। এরপর সে আমাকে বাড়িতে না নিয়ে ঝিনাইদহ শহরে ভাড়া বাড়িতে রাখে।

আমি বাড়ি যাবার কথা বললে সে বলে, আমার বাবা মারা যাবার পর আমার মা আবার বিবাহ করেছে তার আলাদা সংসার আছে। আমি যদি তোমাকে এখন বাড়িতে নিয়ে যাই তাহলে আমার মা বাড়ির জমি জায়গা সব আমার বোনদের ও আমার মায়ের নামে নিয়ে নিবে। এই সমস্যা দেখিয়ে সে আমাকে তখন বাড়িতে নেয়নি।
রোকছানা বলেন আমি সুধু এই সন্তানের জন্য বেচে আছি আমাদের ভালোবাসার ফসল মারিয়া, আমি সমাজের সচেতন মহলের কাছে অনুরোধ করবো আপনারা আমাকে এবং আমার এই মাসুম বাচ্চাকে বাচান।