ঠাকুরগাঁও জেলায়  রুহিয়ায় আগাম জাতের আলু চাষে কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন চেষ্টা ,দাম নিয়ে অনিশ্চিত 

224

সুপ্রভাত বগুড়া (সজল আলী ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি): রুহিয়ায় আগাম জাতের আলু চাষ করে লাভবান হয়েছেন আলু চাষিরা। বাজারে নতুন আলুর চাহিদা থাকায় দামও ভালো পাচ্ছেন তারা। এবার চলতি মৌসুমে বাজারে পুরনো আলু ২৫-৩০ টাকা আর নতুন আলু ৩০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবজিসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান কাটার পর গেনোলা, ডাইমনসহ বিভিন্ন আগামজাতের আলুর চাষ করে লাভের আশা করছেন চাষিরা। রাজাগাঁও ইউনিয়নের আলু চাষি ইব্রাহিম আলী জানান,  চলতী বছরে শীত তুলনামূলক অনেকটাই কম, তাই কম খরচে ফলন ভালোই হয়েছে।

এছাড়াও বাজারে আগাম জাতের আলুর দামও বেশ ভালই। দক্ষিণ রাজাগাঁও গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, এবার ১বিঘা( ৩৩ শতক) জমিতে আগাম জাতের ডায়মন আলু চাষ করেছি। বিঘা প্রতি বীজ,সেচ, সার, নিড়ানি, আলু তোলা ও পরিবহনসহ খরচ হয়েছে ৩৪-৩৫ হাজার টাকা।

জমিতে আলু হয়েছে ৫০মন। যাহার প্রতিকেজি আলু ২৭ টাকা দরে পাইকারী বিক্রি করেছি। যা খরচ বাদে কিছুটা লাভ হবে। এছাড়াও ৪একর লেট প্লানিং আলু রয়েছে যা দাম এখন অনিশ্চিত। রুহিয়া সুলতানা আলী বলেন, আলুর বীজের দাম বেশি থাকায় চাষাবাদের খরচ একটু বেশি হয়েছে। তারপরও বর্গা নিয়ে  ৩ একর জমিতে আলু চাষাবাদ করেছি। তবে দিন দিন আলুর দাম কমতেছে। আলু ব্যসায়ী আলম সহ কয়েকজন জানান, আলুর দাম উঠানামা করছে। যেহেতু আমরা ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাল পাঠাচ্ছ।

তাই আমরা বাজার চাহিদা মাফিক আলু ক্রয় করতেছি। রুহিয়ার আব্দুল কাদের ও রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের  তালতলী বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী ঈশ্বর চন্দ্র বলেন, অনান্য বছরের থেকে এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণ আলু চাষাবাদ হয়েছে।  কৃষকের চাহিদা মাফিক বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক বিক্রি করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষ্ণ রায় জানান, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১৪হাজার ২৫হেক্টর জমিতে এবার বিভিন্ন জাতের আলু চাষবাদ হয়েছে। আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের চাষাবাদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও আবহাওয়া ভাল থাকায় এবার হেক্টর প্রতি ২০টন আলু উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে।