অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়লো সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দাম !

119
অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়লো সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দাম ! ছবি-সংগ্রহ

সুপ্রভাত বগুড়া (ব্যবসা-বাণিজ্য): করোনাভাইরাস মহামারীতে টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে আজ খুলেছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আর অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীতে প্রায় সব ধরনের সবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানি করা ফলের দামও।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, গতকাল ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। এমনকি সবচেয়ে কমদামি সবজি পেপে এবং মূলার কেজিও ৫০ টাকা। এক কেজি বরবটি দুই দিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকা। গতকাল তা হয়ে গেছে ৫০ টাকা। পেপে ছিল ২০ টাকা। সেই পেপে গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা কেজিতে। প্রতিটি লাউ বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা। 

একদিন আগে বিক্রি হওয়া ৪০ টাকার করল্লার কেজিও ৫০ টাকা হয়ে গেছে গতকালই। একইভাবে বেড়েছে বেগুন, টমেটো, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়ার দামও। শুধু তাই নয়, আলুর দামও বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। আর ৯০-৯৫ টাকার ডিমের ডজন আবার ১০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। বিভিন্ন ধরনের মাছ, মুরগি আর মাংসের দামও বেড়েছে। বেড়েছে কাঁচামরিচের দামও।

গতকাল প্রতি কেজি কাঁচা  মরিচ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা দুই দিন আগেও ছিল ৬০ টাকা। আর সয়াবিন, চাল, মসুর ডালের দাম তো বেড়েছে সাধারণ ছুটির মধ্যেই। সে সময় দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছিল পরিবহন সমস্যা ও উৎপাদনে ঘাটতি। যদিও এ দুটির কোনোটিতেই কোনো সমস্যা নেই।

কেননা দুটি প্রক্রিয়াই ছিল সাধারণ ছুটির আওতামুক্ত। বিক্রেতাদের অভিযোগ, অফিস খুলে দেওয়ায় চাহিদা বেড়েছে কিন্তু সে অনুপাতে আড়তে সবজির জোগান বাড়েনি। ফলে আড়তেই দাম বেড়েছে।  যার প্রভাব পড়েছে খুচরা  বাজারে। অথচ সরকারি মনিটরিং সংস্থাগুলো বলছে, ডাক বিভাগের মাধ্যমে সবজি বিপণন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের খাদ্যশস্য ও কৃষিপণ্যের সঠিক বিপণন, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, চাহিদা মোতাবেক সহজলভ্যতা তৈরি এবং জরুরি অবস্থায় ফুড সাপ্লাই চেইন অব্যাহত রাখতে প্রথম উন্মুক্ত অনলাইন প্লাটফর্ম হিসেবে ‘ফুড ফর নেশন’ চালু করেছে সরকার।