দেশে এ পর্যন্ত ৫ কোটির অধিক ডোজ করোনা টিকার প্রয়োগ সম্পর্ণ

53
দেশে এ পর্যন্ত ৫ কোটির অধিক ডোজ করোনা টিকার প্রয়োগ সম্পর্ণ

দেশে ৫ কোটির অধিক ডোজ করোনা টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫ কোটি ২ লাখ ৪৫ হাজার ২৫৫ ডোজ করোনা টিকার প্রয়োগ হয়েছে। প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ২৫ হাজার ৭ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার ২৪৮ জন।

এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার ২৪৭ জন আর নারী ১ কোটি ৫৩ লাখ ২৮ হাজার ৭৬০ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৫ জন আর নারী ৭২ লাখ ৩২ হাজার ৫৭৩ জন।

এরমধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৭০ ডোজ।
ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৫৫ ডোজ। চীনের সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৯ ডোজ। আর মডার্নার টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৫১ লাখ ৮১১ ডোজ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৪ কোটি ৯০ লাখ ৮৭ হাজার  ৭২৮ জন করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এরমধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ২৪৩ জন এবং পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে ৬ লাখ ৪২ হাজার ৪৮৫ জন নিবন্ধন করেছেন।

এদিকে সারা দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ২৩ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৫১০ জনে। বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৮৬০ জনের দেহে। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯১১ জনে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯৭৯ জন।

এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬ হাজার ৫৬৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার  ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর আগে বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে মারা যান ১৭ জন। এছাড়া করোনা শনাক্ত হয় আরও ১ হাজার ১৭৮ জন।