দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে প্লাজমা থেরাপি

110

সুপ্রভাত বগুড়া (স্বাস্থ্য কণিকা): করোনা মোকাবিলায় দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে প্লাজমা থেরাপি। এর মাধ্যমে কভিড-১৯ কে পরাস্ত করে সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের রক্তের প্লাজমা নিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দেয়া হয়।

এরপর ওই রোগীর শরীরেও তৈরি হয় এন্টিবডি, যা লড়াই করবে করোনার বিরুদ্ধে। বিশ্বের কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে করোনা বিরোধী যুদ্ধে।

রক্তকে আপাত দৃষ্টিতে লাল তরল পদার্থ মনে হলেও এর মধ্যে থাকে বেশ কিছু উপাদান। এগুলোর ভেতর থেকে লোহিত কণিকা, সাদা কণিকা ও প্লাটিলেট আলাদা করার পর যে তরল অংশটা থাকে তাতে পাওয়া যায় ময়েশ্চার, প্রোটিন, মিনারেল ও এন্টিবডি-এই অংশটাই হল প্লাজমা।

কোভিড-নাইনটিন রোগীদের সারাতে রক্তের প্লাজমা দিয়ে চিকিৎসায় সুফল পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে যারা সুস্থ হচ্ছেন তাদের রক্তের প্লাজমা নিয়ে অসুস্থদের শরীরে দিলে তৈরি হয় করোনারোধী এন্টিবডি।

যা ওই ব্যক্তিকেও সুস্থ হতে সহায়তা করে। দেশে এরইমধ্যে ঢাকা মেডিকেলের একজন আক্রান্ত চিকিৎসক সুস্থ হয়ে প্লাজমা দান করেছেন। ডা. আশরাফুল হক নামে ওই হাসপাতালেরই আরেকজন চিকিৎসক সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে তার প্লাজমা সংগ্রহ করেছেন।

যা এখনও কোন আক্রান্ত রোগীর শরীরে দিয়ে পরীক্ষা করা হয়নি। এ পদ্ধতিতে চিকিৎসায় গত ১২ এপ্রিল কমিটি গঠন করেছে সরকার। কিভাবে এই কমিটি কাজ করবে তার নীতিমালা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা পড়েছে ২৭ এপ্রিল।

করোনা প্রতিরোধে সপ্তাহখানেকের ভেতর কাজ শুরু করবে তারা। প্লাজমার মাধ্যমে চিকিৎসা করোনার ভয়াল থাবা প্রতিরোধে সহায়ক হবে বলেই বিশ্বাস চিকিৎসকদের।