ধর্ষণ ও হত্যা না করেই আসামিরা কীভাবে দোষ স্বীকার করলো ! : প্রশ্ন হাইকোর্টের

63

সুপ্রভাত বগুড়া ডেস্ক: অপরাধ করেই যেখানে দোষ স্বীকার করে না, সেখানে নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ ও হত্যা না করেই আসামিরা কীভাবে দোষ স্বীকার করলো, এমন প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। প্রশ্ন তুলেছেন মামলার তদন্ত নিয়েও। একইসঙ্গে আদালত বলেছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আসামিদের গণমাধ্যমের সামনে আনা বিচারকাজকে প্রভাবিত করার সমান।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন। নারায়ণগঞ্জে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তিন আসামি। কিন্তু নিখোঁজের ৪৯ দিন পর ওই কিশোরীর ফিরে আসায় শুরু হয় তোলপাড়। পরিবর্তন করা হয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

এ ঘটনায় এ মামলার সব নথি চেয়ে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন পাঁচজন আইনজীবী। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে হাইকোর্ট। পরে মামলার সব নথি নিয়ে হাইকোর্টে হাজির হন সাবেক ও বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা। লিখিত ব্যাখ্যা দেন তারা।

শুনানিতে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিশ্বের সব উন্নত দেশেই জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দি হয় একজন আইনজীবীর উপস্থিতিতে। শুনানিতে আদালত বলেন, সাধারণত আসামিরা অপরাধ করেও স্বত:স্ফুর্তভাবে দোষ স্বীকার করে না।

ধর্ষণ ও হত্যা না করেও তারা দোষ স্বীকার করলো, ফলে তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। একইসঙ্গে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই গণমাধ্যমের সামনে আসামিদের নিয়ে আসা বিচার কাজকে প্রভাবিত করার সমান বলে মন্তব্য করেন আদালত। শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২৪ সেপ্টেম্বর আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।