নওগাঁ বদলগাঁছীতে গ্রাম পুলিশের দ্বারা ধর্ষিত স্কুলছাত্রী অন্তঃ সত্ত্বার অভিযোগ; অতঃপর গর্ভপাত !

53
নওগাঁ বদলগাঁছী তে গ্রামপুলিশের দ্বারা ধর্ষিত স্কুলছাত্রী অন্তঃ সত্ত্বার অভিযোগ অতঃপর গর্ভপাত ! প্রতিকী-ছবি

সুপ্রভাত বগুড়া (বুলবুুল আহম্মেদ): নওগাঁ বদলগাঁছী গ্রাম পুলিশের দ্বারা ধর্ষনের শিকার হয়ে এক স্কলছাএী অন্তঃ সত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উটেছে। বিষয়টা জানা জানির পর ভৃক্তভোগীর পরিবার সন্মানের ভয়ে ও প্রভাবশালীদের চাপে গর্ভপাত ঘটাতে বাধ্য হন।

অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ বাবুল হোসেন ( ফেলু) উপজেলার পাহারপুর উইনিয়নে দায়িত্ব রত এবং একই উইনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা আর ভুক্তভোগী স্হানীয় একটি মাদ্রাসা র নবম শ্রেনীর ছাএী গ্রাৃম পুলিশ তার প্রতিবেশী সম্পর্কে চাচা হন।

ভৃক্তভোগীর পরিবার ও স্হানীয় সৃএে জানা যায়,স্কলছাএী পরিবার টি গরিব জিবিকার তাগিদে তার বাবা ঢাকায় রিক্সা চালাত ভুক্তভোগী বাবার প্রতিবেশী ফুফাতো ভাই গ্রাম পুলিশ বাবুল হোসেন ( ফেলু) আর এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গত পাচ মাস থেকে একাধিক বার ধর্ষন করে। এতে অন্তঃ সত্ত্বা হয়ে পড়ে।

ওই স্কলছাএী তাকে বিয়ের কথা বললে কোনও সাড়া দিতোনা বাবুল হোসেন ( ফেলু) ভৃক্তভোগীর পরিবার মানসন্মানের ভয়ে,ও প্রভাবশালীদের চাপে গর্ভপাত ঘটাতে (১১ জুন) জয়পুরহাট জেলায় নিয়ে যায়।

সেখানে এক বাড়িতে হাতুরে চিকিৎসক দ্বারা তার গর্ভের বাচচাটি নষ্ট করা হয়। ঘটনা ধামা চাপা দিতে এবং মীমাংসা জন্য চাপ দিতে থাকে।অভিযুক্ত ও প্রভাবশালী মহল। এর পর বিষয়টা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কিছু প্রভাবশালী মহল ( এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে। ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে সমঝোতার জন্য প্রস্তাব দেয় বলে জানা যায়।

কিন্তুু ভুক্তভোগী র পরিবার সমঝোতা মানতে নারাজ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ বাবুল হোসেন ( ফেলু) এলাকায় নেই। কিশোরীর পরিবার এই ঘটনার দৃষ্টিনান্ত মৃলক শাস্তি বিচার দাবী করেন।

বদলগাঁছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) চৌধুরী জোবেয়ের আহম্মদ বলেন। শনিবার রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে।বাবুল হোসেন (ফেলু) কে আসামী করে মামলা করেছেন। আসামী আটকের চেষ্টা চলছে।