নন্দীগ্রাম উপজেলা আ’লীগের তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

70

সুপ্রভাত বগুড়া (আবদুল ওহাব ): তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বঘোষিত গায়েবী পদ থেকে অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। রোববার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন, বর্তমান কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা, সহঃঅধ্যাপক (অবঃ) আজিজুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে আজিজুর রহমান বলেন, গত ৩ বছর আগে উপজেলা সভাপতি মৃত্যু বরণ করেছে। কিন্তু গত মার্চ মাসে রিলিফের চাল চুরির অপরাধে  জাহিদুর রহমান ও আনিসুর রহমানকে বহিষ্কার  করা হয়েছে। একই কায়দায়, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রানা এলএলবি স্বঘোষিত পদবী  ঘোষনা করে। যা গঠনতন্ত্রপরিপন্থী। দলের কোনরুপ সভা না করে বিভিন্ন জায়গায় তদবির করে নানা অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়ে।

সংবাদ সম্মেলন বলা হয়, ১৯৭১ সালে রফিকুল ইসলাম মুসলিম লীগের দোসর ছিলেন। আর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রানা জাতীয় পার্টির প্রডাক্ট। ১২ সালের এই হাইব্রিড নেতা প্রবীণ ও নবীন, ত্যাগী ব্যাক্তিদের মারধর করে দলের মধ্যে দল সৃষ্টি করছে। অভিযোগে করে আজিজুর রহমান আরও বলেন, ১৯৮৬ সালে নৌকার বিজয় কু করে, জাতীয় পার্টির কর্মীদের নিয়ে মামদুদ চৌধুরীকে এমপি বানিয়ে রাস্তায় রাস্তায় মহিলাদের নাচিয়ে আনন্দ করেছে আনোয়ার হোসেন রানা,

শুধু তাই নয় জাতীর পিতাকে বঙ্গবল্টু বলে কটুক্তি করাসহ নেত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপবাদ দিয়ে লাঞ্ছিত করেছে। আলহাজ্ব মোত্তরিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও অপবাদ দিয়েছে। আমরা সিনিয়র সহ- সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটি করে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জিন্নাহর ওপর হামলা, পদবী গায়েবী তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দোসরদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহবান জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।