পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

138

সুপ্রভাত বগুড়া (হেলাল): বগুড়া ধুনট উপজেলার চিকাশী গ্রামের মৃত গোফ্ফার মন্ডলের ছেলে রফিক মন্ডল পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বগুড়া প্রেস ক্লাব মিলায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জেলা বগুড়ার ধুনট উপজেলাধীন ৩৪ নং চিকাশী মোহনপুর মৌজার সি.এস ১১৬ নং খতিয়ানের সম্পত্তির মধ্যে পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে আমি সহ আমার বোনেরা ৯৬ শতাংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হইয়া তন্মদ্ধে ২৮ শতাংশ সম্পত্তি অভাবের তারনায় বিক্রয় করি। বিক্রয় বাদ বক্রি (৯৬-২৮)=৬৬ শতাংশ সম্পত্তি ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি।

তাহা ছাড়াও অত্র চিকাশী মোহনপুর মৌজায় আমার পিতা গোফফার মন্ডল বিভিন্ন দলিল মূলে আমার চাচা মন্তেজার মন্ডলের সহিত বিভিন্ন দলিলে দুইজন একুনে প্রায় ১৪ বিঘা জমি ক্রয় করে। উক্তরুপে আমার পিতার ক্রয়কৃত ৭ বিঘা জমির সম্পন্ন কাগজপত্র তথা দলিলে তাহার বড় ভাই মন্তেজার মন্ডলের নিকট গচ্ছিত ছিল।

ইহা ছাড়াও আমি এবং আমার বোনেরা আমার পিতার ক্রয়কৃত অত্র চিকাশী মোহনপুর মৌজার সম্পত্তি আমরা প্রাপ্ত হইয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। অত্র সাংবাদিত সম্মেলনে আপনাদের মাধ্যমে বলিতেছি যে, বিবাদীদের মৌরশ মন্তেজার রহমান মন্ডল তৎকালিন সময়ে তাহার পুত্র ইলিয়াস হোসেন বাদশা, আমার পিতা গোফফার মন্ডলকে মৃত্যুর ভয় দেখাইয়া আমার পিতার ক্রয়কৃত সম্পত্তি ৭ বিঘার মধ্যে ৪ বিঘা জমি দলিল করিয়া লইয়া বক্রি সম্পত্তি হইতে আমার পিতাকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে আমার পিতা মাতাকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা মামলা দিয়া বাড়ী ও জমি জমা আত্বসাৎ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়।

এমতবস্থায়, আমার পিতা মাতা মৃত্যুর পর তৎকালিন সময়ে আমি এবং আমার ভগ্নিগন নাবালক থাকার সুযোগে বিবাদী ১। মনোয়ারা, স্বামী-মৃত ইলিয়াস হোসেন বাদশা, ২। আব্দুল্লাহ পিতা-মৃত ইলিয়াস হোসেন বাদশা, ৩। কফিল উদ্দিন, পিতা-মৃত মন্তেজার রহমান মন্ডল ৪। চাঁন মিয়া, পিতা-মৃত আহম্মদ মন্ডল ও ৫। শাহিন, পিতা-চাঁন মিয়া সকলের সাকিন চিকাশী উপজেলা ধুনট, জেলা-বগুড়াগণ আমার ও আমার বোনদের স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তি সহ আমার পিতার ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর দখল করিয়া লওয়ার জন্য আমাকে মারপিটসহ হত্যা করার হুমকি দিয়া আসিতেছে।

ইতিপূর্বে বিবাদী মনোয়ারা সম্পূর্ণ মিথ্যা বর্ণনায় ও মিথ্যা উক্তিতে আমি সহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ২৬২সি/১৬ ধুনট নং মামলা আনায়ন করে। তাহা ছাড়াও বিবাদী শাহীন ঐ একই আদালতে সম্পূর্ণ মিথ্যা বর্ণনায় ও মিথ্যা উক্তিতে জি আর ১/২০১৭ ধুনট নং মামলা আনয়ন করে।

যাহার বিচার আমলে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আমরা অব্যাহতি পাইয়াছি। বর্তমানে ধান খুব ভাল হইয়া পাকিয়া ছিল। ৭ই মে ধুনট থানার এস.আই মোঃ আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে এবং পুলিশ পাহারায় আমার আবাদী জমির পাকা ধান কাটিয়া লইয়া বিবাদী মনোয়ারার বাড়িতে উঠায়।

তাহা ছাড়াও ধুনট থানার এস.আই মোঃ আনিছুর রহমান আমার আবাদী ও অন্যান্য জমির পাকা ধান বিবাদীদেরকে কাটিয়া লওয়ার হুকুম দেয়। বর্তমানে আমি বিবাদীগণ ও ধুনট থানার এস.আই মোঃ আনিছুর রহমানের ভয়ে বাড়িতে থাকিতে পারিতেছি না। তাই পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট সাংবাদিকের মাধ্যমে দাবী জানায়।