প্রতিদিনের সংক্রমণে এবার আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে গেল ভারত

30
প্রতিদিনের সংক্রমণে এবার আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে গেল ভারত ছবি-সংগ্রহ

সুপ্রভাত বগুড়া (আন্তর্জাতিক): প্রতিদিনের সংক্রমণে এবার আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে গেল ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও অর্ধলক্ষাধিক মানুষের দেহে ভাইরাইসটি চিহ্নিত হয়েছে।

এতে করে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার মানুষের। তবে, পূ্র্বের তুলনায় বেড়েছে সুস্থতাও।

দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২ হাজার ৫০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ৭৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। যার ষাট শতাংশই তিন রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও তামিলনাড়ু)। অথচ, এদিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা চিহ্নিত হয়েছে ৪৮ হাজারের বেশি মানুষের দেহে।

অন্যদিকে, গত একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ৮০৩ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৯৩৮ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ২ লাখ প্রায় ৩ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছাড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা।

এদিকে, বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের পরে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত দেশ হলো ভারত।

এদিকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৮৪২ জন মানুষের।

তামিলনাড়ুতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৬৩ হাজার ২২২ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৪ হাজার ২৪১ জনের।

রাজধানী দিল্লিতে করোনার থাবায় প্রাণ গেছে ৪ হাজার ২১ জনের। আর ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮২ জনে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনার দাপট। সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই।

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও।

তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ হাজার ৩০৬ জন ভুক্তভোগী সুস্থ হয়েছেন।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ১২ লাখ ৩০ হাজার ৫০৯ জন ভুক্তভোগী। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৮ জন।