প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার : ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবার পাচ্ছে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা (ভিডিও)

152

সুপ্রভাত বগুড়া (জাতীয়): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসাবে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা পাচ্ছে করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবার। প্রতি পরিবারে ধরা হয়েছে ৪জন সদস্য, সেই হিসাবে এই নগদ সহায়তায়  উপকার ভোগী হবে প্রায় ২ কোটি মানুষ।

এ জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জানা গেছে, উদ্যোগটির সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ।

আর পরিবার চিহ্নিত করেছে স্থানীয় সরকার অর্থাৎ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, গ্রামের মেম্বার, শিক্ষক, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি।

ভাতা পাওয়ার তালিকায় আছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষ। 

তালিকাভুক্তরা আগে থেকেই ভিজিএফ কার্ডের আওতায় রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা,বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা। তারা এই অর্থ পাবেন নগদ, বিকাশ, রকেট, এবং শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে।

ফলে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচ  সরকার বহন করবে। এই টাকা উত্তোলন করতে ভাতাভোগীদের কোন খরচ দিতে হবেনা।

ভিডিও :

সরকারের নগদ সহায়তা: এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে পাবে ৫০ লাখ পরিবারপ্রতি পরিবারে ধরা হয়েছে ৪জন সদস্য, সেই হিসাবে এই নগদ সহায়তায় উপকার ভোগী হবে ২ কোটি মানুষ। করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার। এ জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। ১৪ই মে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এই তালিকা তৈরি করেছেন।ভাতা পাওয়ার তালিকায় আছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষ।তালিকাভুক্তদের মধ্যে নগদ, বিকাশ, রকেট, এবং শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে এই টাকা, ফলে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচ সরকার বহন করবে। এই টাকা উত্তোলন করতে ভাতাভোগীদের কোন খরচ দিতে হবেনা। এই ৫০ লাখ পরিবারের বাইরে আরও ৫০ লক্ষ পরিবারের প্রায় ২ কোটি সদস্য আগে থেকেই রয়েছে ভিজিএফ কার্ডের আওতায়। এছাড়াও রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা,বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা।

Posted by Joydeb Nandee on Tuesday, 12 May 2020