বগুড়া’র ডেকোরেটার ব্যবসায়ী জুয়েলের প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি

338
বগুড়া'র ডেকোরেটার ব্যবসায়ী জুয়েলের প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি। ছবি-সংগ্রহ

সুপ্রভাত বগুড়া (স্বাধীন মতামত): আজ শনিবার ০৬জুন ২০২০, বগুড়ার তিনমাথা রেলগেটে অবস্থিত জুয়েল ডেকোরেটার এর স্বত্ত্বাধিকারী জুয়েল শেখ তার নিজস্ব ফেসবুক পেজে বর্তমানে করোনার মহামারিতে লকডাউনে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এখন পর্যন্ত ডেকোরেটার ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ীদের কোন সরকারি বেসরকারি সাহায্য সহযোগীতা না থাকায় দু:খ প্রকবাশ করেছেন।

সেই সাথে দেশের বড় একটি অংশ ডেকোরেটার ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়িদের পক্ষ হতে সু-দৃষ্টি ও বিশেষ বিবেচনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন।

তার ভাস্য মতে দেশে ডাক্তার, নার্স, পুলিশ সাংবাদিক, সবার পাশাপাশি ডেকোরেটার ব্যবসায়ীদের ভুমিকাও গুরুত্ব পূর্ণ সব যায়গাতেই যে কোন অনুষ্ঠানে এমনকি এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে যে সকল স্থানে ত্রাণ বিতরণ চলছে সেখানেও ডেকোরেটার ও সাউন্ড ব্যবনায়ীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। পৃথিবীর কোথাও একটি প্রোগ্রামও করা সম্ভব নয় যদি ডেকোরেটার ও সাউন্ড সিন্টেম না থাকে।

তাই দেশের বিশেষ একটি জনগোষ্ঠি যারা এই ডেকোরেটার ও সাউন্ড ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের প্রতি তিনি সর্বস্তরের সুধি মহলের শুভ দৃষ্টি তথা মনবতার জননী, দেশের সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনার প্রতি খোলা চিঠির মাধ্যমে সদয় সহানুভুতি কামনা করেছেন।

জুয়েল শেখ এর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানা যাবে বিস্তারিত :

“খোলা চিঠি
বরাবর…………
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
– আপনি বিশ্ববরেণ্য মানবতাবাদী স্বীকৃত। আপনি বিশ্বে সাহসী প্রধানমন্ত্রী।
আপনি করোনায় দেশের সকল পেশার মানুষের পাশে জানপ্রাণ দিয়ে দাঁড়িয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে সকল পেশাজীবীরা আপনার মাধ্যেমে সুবিধা পেয়েছেন।
ঈদের আগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ সকল পেশার মানুষ কমবেশি আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। যদি প্রশ্ন করা হয় কোন পেশার মানুষ সরকারের আর্থিক সুবিধা পায়নি? নি:সন্দেহে উত্তরটা মিলবে ডেকোরেটর এন্ড সাউন্ড ব্যবসায়ী।

দেশে ডেকোরেটর ব্যবসায়ীরা আজ সুবিধা বঞ্চিত, অবহেলিত ও নিরাপত্তাহীন। যেমনটি নেই কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, যেন কচু পাতার পানি আর ডেকোরেটর ব্যবসায়ীদের একইহাল। দেশ গঠনের ৪৯টি বছরেও এটি সম্ভব হয়নি, আর কবেইবা হবে কেউ জানেনা।

আর সেই স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন বাংলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যে মঞ্চে দাড়িয়ে এবং ভাষন দিয়েছিলো যেই মাইকে সেটা আমাদের ডেকোরেটর ব্যবসায়ী দেরি-ছিলো।

আজ ৪৯ বছর পরও তা ধারাবাহিক ভাবে আপনাদের ও দেশে সকল মানুষের কাজেই ব্যবহার হচ্ছে। আর আজ এই মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রচারের মাইকিং করা হচ্ছে সেটাও আমাদের ডেকোরেটর ব্যবসায়ীদের মাইক-দিয়ে।

আর আমরা আমাদের প্রয়োজনে সকল মাল সামগ্রী ব্যবহারের জন্য সর্বদাই প্রস্তুত আছে। কিন্তু আমাদের এই বিপদের দিনে ডেকোরেটর সাউন্ড ব্যবসায়ীদের জন্য প্রস্তুত নাই সরকারি আর্থিক সহায়তা। অতিতে পাইনি সরকারি আর্থিক সহায়তা, হয়নি সরকারি ঋৃণ বা লোনের ব্যবস্থা, চাইলেও পাইনি আমরা সরকারি বা বেসরকারি বাংকের কোনো সুবিদা।

আর বর্তমানে তিন মাস ধরে বেকার কর্মহীন হয়ে ঘরে বসে আছি মালিক সহ কর্মচারীরা। তবুও পেলাম না ত্রান দানের ঘোষনা। এবং আসেওনি আর্থিক সহায়তা। বাদ যাচ্ছে শুধু মাত্র এই ব্যবসায়ীরা। আমরা এতোই অবহেলিতো যা ভাবাই যায়না।

আমার লিখাই হয়তবা অনেক ভুল হয়েছে ক্ষমা করে দিবেন। আমরা কি নাগরিক না?- দেশে নিজ এক মাত্র ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত হয় ডেকোরেটর সাউন্ড ব্যবসা যাতে জড়িত আছে বহু শ্রমিক কর্মচারীরা। ভেবেই পাচ্ছিনা বর্তমানে সমাজের কোন স্থানে আছি আমরা।

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা আপনার দিকে বড় আশা নিয়ে চেয়ে আছি আপনার প্রানে, এই কঠিন বিপদের সময় আপনি দয়া করে আমাদের পাশে দাড়াবেন বলে।
আমার লিখাই হয়তবা অনেক ভুল হয়েছে ক্ষমা করে দিবেন।”

প্রচারে : বাংলাদেশে সকল ডেকোরেটার মালিক বৃন্দ