বগুড়ায় বিভিন্ন জায়গায় মাদকের রমরমা ব্যবসা !

331
সুপ্রভাত বগুড়া (আকাশ সরকার রাসেল): বগুড়া শহরের বিভিন্ন মাদক‌ স্পট গুলো আবার গজিয়ে উঠছে মাদক ব্যবসায়ীরা বেশির ভাগই মাদক সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী কারাগরে আর কিছু পলাতক থাকলেও বিভিন্ন কৌশল অবল্বন করে মাদকের সিন্ডিকেট চালিয়ে যাচ্ছে শহরের হাড্ডিপট্টি সেউজগাড়ী ও চকসুএাপুর সুই পার কলোনী আশে পাশ্বেঁ সকাল ও সন্ধ্যার পড় চলে রমরমা ইয়াবা হিরোইন গাজা সহ ট্যাবলেটের ব্যবসা।
কয়েক জন মাদক সেবন কারীরা জানান, নেশা ধরেছি আর ছাড়তে পারছিনা প্রতিদিন ৬০০ থেকে ১০০০টাকার প্রয়োজন হয় বিভিন্ন অপকর্ম করে নেশার টাকা যোগাড় করতে হয় একটি ইয়াবার মুল্য ৪০০ থেকে ৫০০টাকায় কিনতে হয় যে দিন কম টাকা থাকে সেদিন লোপেন্টা ও ফেন্টাকল‌ ট্যাবলেট মিশিয়ে সেবন করি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডাক্তার জানান মাদক সেবীরা মরণ ব্যাধি ক্যান্সারের ঔষধ নেশা রুপে সেবন করে, তাহাতে প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে এই লোপেন্টা ও ফেন্টাকল ট্যাবলেট ছয় মাসের অধিক ব্যবহার করলে তাদের কিডনী জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মুত্যু বরন হবে কিছু অসাথু ফার্মেসী দোকান দার অধিক মুনাফা লোভে কোন প্রেসক্রিপশন ছাড়ায় মাদক সেবন কারী কাছে ৩৫টাকার ট্যাবলেট ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় একটি ট্যাবলেট বিক্রি করছে।
এই‌ লোপন্টা ট্যাবলেট ইয়াবার মত আর ফেন্টাকল হিরোইনের মত লাগে যেখানে ইয়াবার ও হিরোইনের দামের চেয়ে অধেঁক দাম তাই মাদক সেবীরা এই ট্যাবলেটের প্রতি বেশি ঝুকছে।
এলাকা সূত্রে ও সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়,‌ সকাল বেলা ও সন্ধ্যার পড় মাদক সেবন কারীরা রেল ষ্টশনের পার্শ্বে হাড্ডিপট্টি বাস টাঁমিনালে সদরের খাদ্যগুদামের ভিতরে ও কসাই পাড়া কিল খানা পাশ্বেঁ বসে মাদক‌ সেবন করে। এছাড়া মাদক বিক্রি স্পট গুলো সকাল সন্ধ্যা রমরমা সেবন ও বিক্রি করছে। এ ভাবে যদি চলতে থাকলে তরুন ও তরুনীরা আগামীর সূর্য্যদয় আর দেখতে নাও পারে।
এলাকাবসী দাবী এই তরুন ও তরুনীরা এক সাথে বসে এই মরণ নেশা বাচতে সচেতন নাগরিক এগিয়ে আসতে হবে মাদক ব্যবসায়ীরা যতই শক্তিশালী হোকনা কেন তারা যেন আর গজিঁয়ে উঠতে না পারে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা।