বগুড়া-১ আসনে উপ-নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

57
বগুড়া-১ আসনে উপ-নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। ছবি-দৌলত

স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনের উপ- র্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর রয়েছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছাড়াও পৌঁছানো হয়েছে নির্বাচনী অন্য সরঞ্জাম। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম শাহ।

একদিকে করোনার প্রার্দুভাব অন্যদিকে বন্যা ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া মাথায় নিয়ে  ভোটারদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনের উপ-নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে দুই উপজেলাতেই প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। সকালে নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রত্যেকটি কেন্দ্রের জন্য স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে আইনানুগ দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সারিয়াকান্দি উপজেলায় ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া এ উপজেলায় ৫৯৭ পুলিশ সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি ও ৭৭০ জন আনসার সদস্যকে নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশের হিসেব অনুয়ায়ী, বগুড়া-১ আসনের ১২৩টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯৬টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ২৭টি সাধারণ হিসেবে চিন্তিত করা হয়েছে।

এসব কেন্দ্রে সবমিলিয়ে ১ হাজার ২০০ পুলিশ ও ২ হাজার আনসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম শাহ জানান, সকালে বৃষ্টির কারণে কাজের কিছুটা দেরি হয়েছে। কিন্তু দুপুরের আগ মুহূর্ত দিয়ে সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ব্যালট পেপার ছাড়া অন্য নির্বাচনী সরঞ্জাম প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

আগামী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভোট শুরু হওয়ার আগে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে। তিনি আরও  জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক আইশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। আনসার, পুলিশ সদস্য ছাড়াও র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।

বগুড়া-১ আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর আসনটির বৈধ ছয় প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানের সহধর্মিণী সাহাদারা মান্নান (নৌকা), বিএনপির এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির (ধানের শীষ),জাতীয় পার্টির মোকছেদুল আলম (লাঙ্গল), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) মো. রনি (বাঘ), খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম (বটগাছ) ও স্বতন্ত্র ইয়াসির রহমতুল্লাহ ইন্তাজ (ট্রাক)।

এরমধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা উর্ত্তীণ হওয়ার পর বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীু এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন বয়কট করেছেন।এ নির্বাচনে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।