বাংলাদেশ ফিল্ম আর্টিস্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট আইন -২০২০ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ

27
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্টিস্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট আইন -২০২০ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ ছবি-সংগ্রহ

সুপ্রভাত বগুড়া (জাতীয়): বাংলাদেশ ফিল্ম আর্টিস্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট আইন -২০২০ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ।সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে

এবং তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মন্ত্রিসভা আজ বাংলাদেশ ফিল্ম আর্টিস্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এ্যাক্ট -২০২০ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ভার্চুয়াল মিটিংয়ে যোগ দেন এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে সভায় যুক্ত হন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অস্বচ্ছল ও অক্ষম শিল্পীদের কল্যাণ ও চিকিৎসার জন্য তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।তিনি বলেন,

প্রস্তাবিত আইনে কোন শিল্পীর মৃত্যু হলে তার উপর নির্ভরশীলদের সহায়তা দিতে এবং অন্যান্য কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সচিব আরো বলেন, তথ্যমন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হবে। ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তাদের নিজস্ব অর্থ ও সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ দ্বারা এর কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, খসড়া আইন অনুযায়ী, ট্রাস্টে একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকবেন যিনি ট্রাস্টের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, ট্রাস্টটি এর কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য অনুদান ও ঋণ গ্রহন করতে পারবে। এ ব্যাপারে ট্রাস্টকে আগাম অনুমতি গ্রহন করতে হবে।

মন্ত্রিসভায় দ্বৈতকর পরিহার এবং কর-রাজস্ব ফাঁকি রোধ করার জন্য মালদ্বীপ ও চেক রিপাবলিকের সাথে স্বাক্ষরের জন্য প্রণীত দুটি কর চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করা হয়।

এছাড়া, সভায় সৌদি আরব ও নেপালের সাথে স্বাক্ষরের জন্য প্রণীত আরো দুটি সরকারি পর্যায়ের চুক্তির খসড়ার বিষয়ে সম্মতি দেয়া হয়েছে।

চুক্তি দুটি হচ্ছে- সৌদি আরবের সাথে কাস্টমস বিষয়ে ‘সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা’ এবং নেপালের সাথে ‘অ্যাডেনডাম টু দ্য প্রটোকল টু দ্য ট্রানজিট এগ্রিমেন্ট’।