বৃক্ষরোপণ ইবাদত

55
বৃক্ষরোপণ ইবাদত
মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদকি

বৃক্ষ আমাদরে পরম বন্ধু, মানুষ ও পরবিশেরে আল্লাহর পক্ষ থকেে অমূল্য নয়োমত। খাদ্য, বস্ত্র, পুষ্ট,ি বাসস্থান, ওষুধপত্র, র্অথরে যোগানদাতা হসিবেে বৃক্ষরে অবদান অনস্বীর্কায, তমেনি পরবিশেরে ভারসাম্য সুরক্ষা ও উন্নয়নে বৃক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমকিা পালন কর।ে প্রাণজিগতরে অস্তত্বি উদ্ভদি জগতরে ওপর নর্ভিরশীল এবং এ যনে এক অবচ্ছিদ্যে অংশ। পৃথবিীকে বাসযোগ্য অবস্থানে গড়ে তোলা বা কোনো দশেরে পরবিশেরে ভারসাম্য রক্ষার জন্য অবশ্যই ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। কন্তিু আমাদরে রয়ছেে সরকারি নয়িন্ত্রণাধীন মাত্র ১০ ভাগ বনভূমি এবং ৭ ভাগ গ্রামগেঞ্জে রোপতি বা সৃজতি বনভূম।ি যে দশেে বনভূমি যত বশেি সে দশে তত বশেি সমৃদ্ধ।

বাংলাদশেরে বনভূমি প্রয়োজনরে তুলনায় খুবই নগণ্য। এ থকেে বোঝা যায় বৃক্ষরোপণ আমাদরে জন্য অতীব জরুর।ি বৃক্ষ পরম বন্ধ হয়ে গ্রনি হাউসরে ক্ষতকির প্রভাব থকেে রক্ষা কর,ে প্রয়োজনীয় খাদ্যরে জোগান দয়ে, অক্সজিনে সরবরাহ কর,ে বাতাসরে অতরিক্তি কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণরে মাধ্যমে পরবিশে নর্মিল রাখ,ে ক্ষতকির দূষতি বাতাস শোধন করে জীবজগৎকে রক্ষা কর,ে সুশীতল ছায়া দয়ে, মাটরি ক্ষয় রোধ কর,ে মাটতিে জবৈ পদার্থ যোগ করে মাটরি উর্বরতা রক্ষা কর,ে মাটতিে উপযুক্ত পরমিাণ পানি ধরে রাখ,ে জ¦ালানি সরবরাহ কর,ে জীবন রক্ষাকারী মূল্যবান ওষুধরে কাঁচামালরে যোগান দয়ে, পশু-পাখি ও অন্যান্য বণ্যপ্রাণীর নরিাপদ আবাসস্থল হসিবেে কাজ কর,ে প্রাকৃতকি দুর্যোগ ঝড়-ঝঞ্ঝা জলোচ্ছ্বাস বন্যা রোধ কর।

বৃক্ষরে দ্বারা বায়ু দূষণকারী পদার্থ যমেন-কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং গাছরে পাতা ঝড়-বাতাসরে গতকিে রোধ কর,ে বৃষ্টরি সৃষ্টি করে ও মরুময়তা রোধ কর,ে প্রাকৃতকি পরবিশেরে ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি প্রকৃতকিে মায়াময় ও সৌন্দর্যময় রূপে সাজয়িে তোল।

বৃক্ষরোপণ অন্যতম একটি ইবাদত। ইসলামরে দৃষ্টতিে একাজ অত্যন্ত পুণ্যময়। রাসুল (সাঃ) স্বয়ং বৃক্ষরোপণ করছেনে এবং বৃক্ষরোপণ করার জন্য গুরুত্বারোপ করছেনে। বৃক্ষরাজি সবুজ শ্যামল পাতা বস্তিার করে পরবিশেকে সুন্দর রাখ,ে আবহাওয়াকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে এবং প্রাকৃতকি ভারসাম্য অনুকূলে রাখে যা মহান মালকিরে অপার করুণার পরচিায়ক। ছোট্ট বীজটি হতে নর্দিষ্টি সময়ে চারা অংকুরোদগমতি হয়ে অত্যন্ত কোমল পাতা গজাতে থাকে এবং ধীরে ধীরে গাঢ় সুবজে তা ছয়েে দয়ে চারপাশক।

রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করনে- কোন মুসলমি যদি একটি চারাগাছ রোপণ করে কাংখিত  বীজ বপন করে তারপর সইে গাছ ও ফসল দ্বারা মানুষ উপকৃত হয় কংিবা পশুপাখি খায়-তাহলে এর বনিমিয়ে তার আমলনামায় সাদকাহ প্রদানরে সাওয়াব লখো হয়। (মশিকাত)। অনত্রে রাসুল (সাঃ) দু’টি কবররে উপরে দু’টি খজেুররে ডালরে অংশ রোপণ করে বলছেলিনে, এ দু’টো কবরে আযাব হচ্ছ-েদু’টি হালকা (মুক্ত থাকা সহজ) কারণে এ আযাব হচ্ছ একজন মানুষরে গোপন তথ্য একে অন্যরে নকিট লাগয়িে ঝগড়া বাধাত আর অপরজন পশোব করে ভালভাবে পবত্রি হতো না।

যতক্ষণ র্পযন্ত পাতাগুলো সতজে থাকবে ততক্ষণ তাদরে কবররে আযাবকে আল্লাহ তা’আলা হালকা করে দবেনে। (বুখার)ি। উক্ত হাদসি দ্বারা প্রমাণতি হয় য,ে সতজে পাতাও আল্লাহর বশিষে রহমত লাভরে অন্যতম উপলক্ষ হয়। তাই আমাদরে প্রত্যকেরে উচতি আখরোতরে মঙ্গল কামনার জন্য সুবধিাজনক স্থানে বৃক্ষরোপণ করা। শূন্যস্থানসমূহকে সবুজ উদ্যানে পরণিত করা। যদ্বারা মৃত ব্যক্তগিণও উপকৃত হন।

পরবিশে ও জলবায়ুর প্রতি গভীর দৃষ্টি রাখা ও এর-অনুকূলে পরশ্রিম করার শক্ষিাও ইসলাম অত্যন্ত উত্তম রূপে প্রদান করছে।ে কনেনা পর্যাপ্ত পরমিাণ বনভূমি ও বৃক্ষ না থাকার কারণে আমাদরে প্রতনিয়িত যসেব সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তার মধ্যে বশ্বৈকি উষ্ণতা দনি দনি বৃদ্ধি পাচ্ছ,ে মরুময়তা বৃদ্ধি পাচ্ছ,ে বাতাসে কার্বন-ডাইঅক্সাইড বৃদ্ধি পাচ্ছ,ে জীববচৈত্র্যিরে জন্য ক্ষতকির ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মথিনে ও নাইট্রাস অক্সাইডরে পরমিাণ অনকে অনকে গুণ বড়েে যাচ্ছ, বায়ুম-লরে ওজন স্তরে ফাটল সৃষ্টি হচ্ছ-ে ফলে ক্ষতকির অতবিগেুনি রশ্মি পৃথবিীতে চলে আসছ।ে এসডি বৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধরি সঙ্গে সঙ্গে মরেু অঞ্চল ও এন্টারটকিা মহাদশেরে বরফ গলে সমুদ্ররে পানরি উচ্চতা বড়েে যাচ্ছ।

জলবায়ু পরর্বিতনের ফলে আগামী ২ দশকরে মধ্যে সারা বশ্বিরে ৬০০ মলিয়িন মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতগ্রিস্ত হবে বলে গবষেক ও বশ্লিষেকদরে ধারণা। জলবায়ু পরবির্তনজনতি কারণে বর্তমানে বাষর্কি ক্ষতরি পরমিাণ আনুমানকি ১২৫ মলিয়িন মাকর্নি ডলার যা ২০৩০ সাল নাগাদ ৩৪০ বলিয়িন ডলারে গয়িে দাঁড়াবে এবং জলবায়ু পরর্বিতনের ফলে সবচয়েে বশেি ক্ষতগ্রিস্ত দশেরে তালকিায় রয়ছেে বাংলাদশে। এসব জটলি প্রাকৃতকি সমস্যাকে সফলভাবে মোকাবলিার জন্য এখনই র্ধম-র্বণ নর্বিশিষেে সকলকে ইসলামরে শক্ষিা মনেে বৃক্ষরোপণ ও পরর্চিযার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচতি।

জলবায়ু পরর্বিতনরে বরিূপ প্রভাব থকেে পরবিশেকে সুন্দর ও মুক্ত রাখার জন্যও বৃক্ষরোপণরে বকিল্প নইে।
বৃক্ষ নধিন অন্যতম একটি অপরাধ। কনেনা এটওি একপ্রকার অপচয়। একাজ হতে আমাদরেকে অবশ্যই বরিত থাকতে হব।ে নর্বিচিারে বৃক্ষ নধিন ও উত্তপ্ত জ্বালানি ব্যবহাররে ফলে বশ্বিরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছ।ে সামগ্রকি জলবায়ুর পরর্বিতন ঘটছ।ে পশু-পাখরি প্রজনন ব্যাহত হওয়ার ফলে সুন্দর বনরে রয়লে বঙ্গেল টাইগার, চত্রিা হরণি আজ বলিুপ্ত প্রায়।

এ ছাড়া বাংলাদশেরে প্রকৃতি থকেে হাজারো প্রজাতরি পশু-পাখি ও জলজ প্রাণী হারয়িে যাচ্ছ।ে ইতোমধ্যে ৫ হাজার প্রজাতরি গাছরে মধ্যে ১০৬টরি অস্তত্বি প্রায় বলিুপ্ত। ৬৩২টি প্রজাতরি পাখরি মধ্যে ১২টি প্রজাতি ইতোমধ্যে বলিুপ্ত এবং ৩০টি প্রজাতি বলিুপ্তরি পথ। ১১০টি পশু প্রজাতরি ৪০টরি কোনো অস্তত্বি নইে। ৭৮০টি প্রজাতরি মাছরে মধ্যে ৫৪টরি অস্তত্বি নইে বললে চল।ে বশিষেজ্ঞদরে ধারণা মতে ২০৩০ সালরে মধ্যে কৃষি উৎপাদন ৩০ ভাগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ছেে এবং দক্ষণি এশয়িার ২২ শতাংশ কৃষি জমি ধ্বংস হয়ে যতেে পারে।

তাই এ বষিয়টি আমরা সহজইে অনুধাবন করতে পারি য,ে বৃক্ষরে প্রয়োজনীয়তা অপরসিীম।
বন-জঙ্গল, পাহাড়-র্পবত সবকছিুকইে আল্লাহ তা’আলা বশিষে প্রয়োজনে সৃষ্টি করছনে। অপ্রয়োজনে এবং লোভরে কারণে কখনই এগুলোকে নষ্ট করা উচতি নয়। এতে শরীয়াতরে দৃষ্টতিে যমেনভাবে পাপী হতে হয়, তমেনভিাবে পরবিশেরে অপূরণীয় ক্ষতরি জন্যও দায়ী হতে হয় যা মানবতার পরপিন্থী এবং যে কোন র্ধমরে বচিারওে অন্যায়।

পক্ষান্তরে পরবিশে সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ যমেন উপকারী, মানব সমাজওে তা সম্মানজনক ও সবোমূলক হসিবেে ববিচেতি আবার আল্লাহর অনন্ত সন্তুষ্টি লাভরেও অন্যতম কারণ হসিবেে চহ্নিতি। মহান মালকি আমাদরে সকলকে এ গুরুত্বর্পূণ সত্যটি অনুধাবনরে শক্তি দনি যাতে আমরাও তাঁর প্রয়ি হতে পার।ি তা হল :“বৃক্ষ নধিন নয় বরং পরর্চিযা করতে হব,ে উত্তম পরবিশে গড়তে, বৃক্ষরোপণ করতে হব।
লখেকঃ প্রাবন্ধকি ও মুদ্রণ ব্যবস্থাপক
দনৈকি সলিটেরে ডাক
মোবাইল নং- ০১৭২৫-৭২৪৫০৮
ংধফরয়ংধসংঁষ১@মসধরষ.পড়স