ভারতের অমিত পাঙ্ঘাল এখন ৫২ কেজি ক্যাটাগরিতে বিশ্বের এক নম্বর বক্সার

52

সুপ্রভাত বগুড়া (খেলা-ধুলা): প্রথমে ক্রিকেট, তারপর ফুটবল। এই দুই খেলার দাপটে বাকিগুলো কোণঠাঁসা প্রায়।

অনেকেরই অভিযোগ- ক্রিকেট, ফুটবলের সিকিভাগ বরাদ্দও জোটে না দেশের বাকি খেলার সঙ্গে যুক্ত অ্যাসোসিয়েশনগুলোর।

তবে পিছিয়ে থেকেও যে অনেক সময় ভালো কিছু করাই যায়, সেটারই প্রমাণ দিলেন ভারতীয় বক্সাররা।ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন-র সদ্য প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী,

ভারতের অমিত পাঙ্ঘাল এখন ৫২ কেজি ক্যাটাগরিতে বিশ্বের এক নম্বর বক্সার। এই প্রথমবার পুরুষ ও নারীদের বিভাগ মিলিয়ে সেরা ২০ জন বক্সারের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন ভারতীয়।

যা আগে কখনও হয়নি।অমিত পাঙ্ঘাল ছাড়াও ৫১ কেজি বিভাগে তিন নম্বরে রয়েছেন ছয় বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমসি মেরি কম। নারীদের ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রূপাজয়ী বক্সার মঞ্জু রানী ৪৮ কেজি ক্যাটেগরিতে কেরিয়ারের সেরা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন।

পুরুষদের সেরা দশে থাকা ভারতীয় বক্সাররা হলেন- দীপক (৪৯ কেজি, ষষ্ঠ স্থান), কবিন্দর সিং বিষ্ট (৫৬ কেজি, চতুর্থ স্থান), মণীশ কৌশিক (৬৪ কেজি, ষষ্ঠ স্থান)।

মহিলাদের মধ্যে যমুনা বোরো (৫৪ কেজি, পঞ্চম স্থান), সোনিয়া চহল (৫৭ কেজি, চতুর্থ স্থান), সিমরনজিত কউর (৬৪ কেজি, ষষ্ঠ স্থান), লবলিনা বোরগোহেন (৬৯ কেজি, তৃতীয় স্থান), পুজা রানী (৮১ কেজি, অষ্টম স্থান), সীমা পুনিয়া (৮১ কেজি, ষষ্ঠ স্থান)।

ভারতীয় বক্সিং ফেডারেশন-এর সভাপতি অজয় সিং জানিয়েছেন, টোকিও অলিম্পিকের জন্য প্রস্তুতি শুরুর আগে এমন সাফল্য ভারতীয় বক্সারদের মনোবল বাড়িয়ে দেবে। প্রথমবার ভারতের নয় জন বক্সার অলিম্পিকের জন্য কোয়ালিফাই করেছেন।

তারা হলেন- অমিত পাঙ্ঘাল, মেরি কম, সিমরনজিত কাউর, বিকাশ কৃষ্ণন, পুজা রানী, লবলিনা বোরগোহেন, আশিস কুমার, মণীশ কৌশিক ও সতীশ কুমার।

এর আগে ২০১২ সালে আটজন ভারতীয় বক্সার অলিম্পিকের রিং-এ নামার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। তারপর গত আট বছরে এতোজন ভারতীয় বক্সারকে অলিম্পিকে পদকের লড়াইয়েই দেখা যায়নি।