মণ্ডপে মণ্ডপে করোনা মুক্তির প্রার্থণায় পালিত হচ্ছে দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী

195
মণ্ডপে মণ্ডপে করোনা মুক্তির প্রার্থণায় পালিত হচ্ছে দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী। ছবি- সংগ্রহ

সুপ্রভাত বগুড়া (জাতীয়): মণ্ডপে মণ্ডপে করোনা মুক্তির প্রার্থণায় পালিত হচ্ছে দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী। জ্বরা মহামারি মুক্ত বিশ্ব গড়ার আশায় দেবী দুর্গার আরাধনা করেন ভক্তরা। সেই সাথে মণ্ডপে দর্শণার্থীদের আগমনে রয়েছে বিধিনিষেধ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে , করোনার কারণের এবার পূজায় উৎসব- উচ্ছ্বাস নয় । ঘরে থেকে অনলাইনে দেবী দর্শণ সম্ভব।

শুক্রবার সকাল ৯ টা ৫৭ মিনিটে কল্পারম্ভা পূজা শেষে শুরু হয় অঞ্জলী দান। নবপত্রিকায় প্রবেশ, তৃতীয় চক্ষুদান ও দেবীর প্রাণ স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী। শাস্ত্রমতে এদিন কলা, কচু, মানকচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক ও ধান এই নয় প্রকারের শস্য দিয়ে দেবী দুর্গার পূজা করা হয়। যাতে আগামী এক বছর শস্যদানায় পূর্ণ থাকে বসুন্ধরা।

দুর্গাপূজা মানেই উৎসব আর উচ্ছ্বাসের মিলনমেলা। কিন্তু এবার করোনা মহামারির জন্য পূজা মণ্ডপে স্বাস্থ্যবিধির কড়াকড়ি। দর্শনার্থীদের হাত ধুয়ে, মুখে মাস্ক পড়ে আসতে হচ্ছে এখানে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রধান পুরহিত রণজিৎ চক্রবর্তী জানান, দেবী এবার দোলায় এসেছেন। কৈলাশে ফিরবেন গজ বা হাতিতে চড়ে। শাস্ত্রমতে দুর্গার আগমনের বাহন অশুভ হলেও ফিরে যাওয়াটার বাহন শুভ লক্ষণ।

মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কিশোর রঞ্জন মণ্ডল জানান, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে দর্শণার্থীদের পূজা মণ্ডপে আসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এবারের উৎসব শুধু দেবীর পূজা-অর্চনায় সীমাবদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেবী দর্শণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

মহাসপ্তমীর মধ্যাহ্নে বিশেষ প্রার্থণায় দেশ ও বিশ্ববাসীর করোনা মুক্তির জন্য দেবীর দাক্ষিণ্য চান ভক্তরা। এবার রাজধানীতে ২৩২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হচ্ছে। আর সারা দেশে ৩০ হাজার ২১৩টি মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজা। আগামী সোমবার দশমীতে দেবী বিসর্জনে থাকছে না শোভাযাত্রা।