রুহিয়ায় কে এম ব্রিক্স এন্ড কে এস ব্রিক্স এর ইট ভাটার ছাইয়ে প্রায় কয়েক হাজার কৃষকের স্বপ্ন ছাই !!

172
রুহিয়ায় কে এম ব্রিক্স এন্ড কে এস ব্রিক্স এর ইট ভাটার ছাইয়ে প্রায় কয়েক হাজার কৃষকের স্বপ্ন ছাই !! ছবি-আকাশ

সুপ্রভাত বগুড়া (কৃষি সংবাদ): ঠাকুরগাঁওয়ে কে এম ব্রিক্স এন্ড কে এস ব্রিক্স এর ইট ভাটার ছাইয়ে প্রায় কয়েক হাজার কৃষকের স্বপ্ন ছাইয়ে পরিনত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষক।।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১ নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের বড়দেশ্বরীতে কে এম ব্রিক্স এন্ড কে এস ব্রিক্স এর ইট ভাটার ছাইয়ে প্রায় কয়েক হাজার কৃষকের স্বপ্ন ছাইয়ে পরিনত হচ্ছে ।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক প্রাপ্ত ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী কৃষক মেহেদী আহসান উল্লাহ চৌধুরী সহ এলাকার ৬০ জন কৃষক কতৃক স্বাক্ষরিত কৃষি জমিতে পরিবেশ ক্ষতিকর ইট ভাটা উচ্ছেদ করার জন্য গত ১১ নভেম্বর ২০১৯ ইং তারিখে মাননীয় কৃষি মন্ত্রী বরাবর একটি আবেদন করেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ১০ মাস পর ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মনজুর আলম সরকার সরেজমিন পরিদর্শনে আসেন এবং স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকদের কাছ থেকে ইট ভাটার কারণে কি কি ক্ষতি হয়েছে তার একটি প্রতিবেদন লিখিত আকারে নোট করে নেন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবেন বলে জানান।

উক্ত নিরাপদ কৃষি খামার পরিদর্শন করেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান মনির। তদন্তের সময় ইট ভাটার মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি,এবং ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি। স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, ইট ভাটা স্থাপনের আগে আমার মাটিতে ২৫/৩০ মন করল্লা হত। কিন্তু এখন ইট ভাটা স্থাপনের ফলে ৮/১০ মন করল্লা হয়। এ ছাড়াও অন্যান্য ফসলেরও ক্ষতি হয়।

পরিদর্শনের সময় অন্যাদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি অফিসার সুভোদ চন্দ্র রায়, ২১ নং ঢোলারহাট ইউপি চেয়ারম্যান সীমান্ত কুমার বর্মন নির্মল, ২২ নং সেনুয়া আওয়ামী লীগ ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম রবি, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব হামিদুর রহমানসহ উক্ত এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকগন।

বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক প্রাপ্ত ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী কৃষক মেহেদী আহসান উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভাটার কারনে আমাদের জমির উর্বরাশক্তি কমে গেছে। আমাদের একটাই দাবী ভাটাটিকে এখান থেকে অতিবিলম্বে উচ্ছেদ করা হোক।