শাজাহানপুরে বেদখলের ৩০ বছর পর আদালতের নির্দেশে ঢাকঢোল বাজিয়ে জমি দখল

414
শাজাহানপুরে বেদখলের ৩০ বছর পর আদালতের নির্দেশে ঢাকঢোল বাজিয়ে জমি দখল। ছবি-ওহাব

সুপ্রভাত বগুড়া (আবদুল ওহাব বগুড়া প্রতিনিধি): প্রায় ত্রিশ বছর মামলা পরিচালনা করার পর অবশেষে ডিগ্রী পাওয়ায় অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে আদালত। বুধবার ৭ অক্টোবর বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার মানিকদীপা গ্রামে আদালতের নির্দেশে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে এই জমিগুলো উদ্ধার করা হয়।

আদালতের নির্দেশে অনুষ্ঠিত এ উচ্ছেদ কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন বন্টন ডিগ্রিধারী মোকাদ্দমার দখল কার্যে নিযুক্ত এ্যাডভোকেট কমিশনার মোঃ খায়রুজ্জামান মুকুল। তিনি জানান, প্রায় ৩৫ শতক নিজের জমির ভোগদখল পেতে প্রায় ৩০ বছর আগে মামলা করে বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার মৃত ইদ্রিস আলীর ৩ ছেলে ইব্রাহীম হোসেন , ইয়াকুব আলী ও ইয়াছিন আলী। দীঘদিন এভাবে মামলার ঘাণী টানার পর অবশেষে ৬ অক্টোবর তারা রায় পায়।

এরপর আদালতে উচ্ছেদ অভিানের আবেদন দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের আরজি মন্জুর করে এবং ঢাকয়োল বাজিয়ে দখলদারদের কবল থেকে ভুমিটি রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেয়া হয়। ফলে এ নির্দেশ অভিযান পরিচালনা করতে তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়।  ইয়াছিন, ইয়াকুয আলী ও ইবরাহিম জানান, ৩০ বছর ধরে তাদের ত্রৈকিক সম্পত্তি করতে দেয়নি পাশের বাড়ির আবদুল গফুরের ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম।

সে ওই জমিতে পাকা বাড়ি ঘড় তৈরী করে জমিটি বেদখল দিতে মড়িয়া হয়ে উঠে। এভাবে বছরের পর বছর আর যুগের পর যুগ তারা ভোগ দখল করে আসছে। তবে ভুমিটির উপর বাড়ি থাকায় দুই ভায়ে ভায়ে বিষয়টি আপোয় মিমাংষ করা হয়। উপায়ন্র না পেয়ে তারা আদালতে মামলা দায়ের করে। দীর্ঘদিন মামলা পরিচালনা করার পর আজ আদালত তাদেরকে জমিগুলো বুঝিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে এবং জমিগুলোর চার কোণায় লাল পতাকা লাগিয়ে তাকে জমিগুলো বুঝিয়ে দিয়ে যায়।

তবে বিাবদী জাহিদুল জানান, রায়ে ডিগ্রি পেলেও জমিগুলো তিনি আবার তাদের কাছ থেকেই ক্রয় করা হয়েছে। ক্রয় করে নিয়েছি এবং তাদের সাথে আপোষ হয়েছে। তাই অভিযানে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিগুলো ফেরৎ পাঠানো হচ্ছে।