শুকতারা

123

শহীদুল আলম (শাহীন)

সুপ্রভাত বগুড়া (শিক্ষা সাহিত্য: জীবনটা একটা বহমান নদী ।নদীর মত অনকে চড়াই উৎড়াই পথ পাড়ি দতিে হয়।যার শুরু আছে শষেও আছে । যার শষেটা বড়ই মধুর।মলিতি হয়ছেে বশিালাকৃতরি সাগর।েমধুমতিার জীবনটাও যনে সরেকমরেই।জীবনরে সংগী খুঁজে পয়েছেে সাগররে মতই গভীরতর। অথৈ ঐর্শ্বযরে মালকি।

হাবুডুবু খতেে শুরু করছেে মধুমতিা সইে সমুদ্র।েজীবনে এত প্রাচুর্য দেখেনি। ভুলে গেছে নিজের অস্তিত্ব। সাগরে মেশার পর নদীর যেমন আর অস্তিত্ব থাকেনা তদ্রæপ। কিন্তু তার অতীত তো থেকেই যায়। মধুমিতা সাধারণ ঘরের এক অতীব সুন্দরী মেয়ে। তাকে দেখলে চোখ ফেরানো দায়।

ঢাকায় চলে আসে লেখা পড়ার জন্য। কিন্তু লেখা পড়ার চেয়ে উচ্চাভিলাসই ছিল তার বিশী। সুন্দর চেহারাই তার মোক্ষম অস্ত্র। এই অস্ত্রই সে ব্যবহার করে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। এভাবেই পৌছে যায় দেশের এক শীর্ষ ধনাঢ্য ব্যক্তির সান্নিধ্যে। শুরু হয় প্রেমের সম্পর্ক। বিলিয়ে দেয় নিজেকে কোটিপতির কাছে।

কোটিপতি মধুমতির সবটুকু মধু নিংড়িয়ে নেয়। এবার তাকে ছুড়ে ফেলার পালা। মধুমিতা সেটা বুঝতে পারে। কোটিপতিকে সে হাতছাড়া করতে চায়না। তাই প্রেমের সম্পর্ককে স্থায়ী করতে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু কোটিপতি সবকিছু পেয়ে গেছে তাই মধুমিতার প্রতি তার অনীহা।

তদুপরী তার স্ত্রী সন্তান আছে। মধুমিতার মত মেয়েদের তারা ভোগবিলাসের বস্তুর চেয়ে বেশী কিছু মনে করে না। কত মেয়ে তাদের বিত্ত বৈভবের জালে ধরা পড়েছে তার শেষ নেই।

মধুমিতার যখন সবকিছুই শেষ তখন সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। শেষ করে দেয় নিজের অস্তিত্বকে। রেখে যায় তার অতীতকে। সেই অতীতকে স্মরণ করে তার বাসায় চলে শোকের মাতম।

লেখক/সাহিত্যিক :                                                                                                        মোঃ শহীদুল আলম (শাহীন)
০১৭৩৮-৪৮৯২০৬