সরকারি নির্দেশনা মেনে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদের জামাত

54

সুপ্রভাত বগুড়া (প্রচ্ছদ): দীর্ঘ এক মাস রোজার পর সারা দেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। সরকারি নির্দেশনা মেনে এবার ঈদগাহের পরিবর্তে সারা দেশের মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদে প্রবেশের আগে ছিল হাত ধোয়ার ব্যবস্থা।

কোনো জায়গায় যাতে বেশি জনসমাগম না হয় এ জন্য কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চট্টগ্রামে সকাল ৮টায় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদে।

প্রতিবছর কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটি নগরীর ৯৪টি স্থানে ঈদের নামাজের আয়োজন করলেও এবার তা হয়নি। কোলাকুলি ও হাত মেলানো পরিহার করেই শুভেচ্ছ বিনিময় করেছেন মুসল্লিরা।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদেন জামাত হয়েছে খুলনায়। সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় নগরীর টাউন জামে মসজিদে। জামাতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেন।

নামাজ শেষে মোনাজাতে করোনা থেকে মুক্তিসহ দেশ-জাতির শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। এবার বরিশাল মহানগরীতে রেকর্ডসংখ্যক ৪৫৫টি মসজিদে ঈদের জামাত হয়েছে।

এর বাইরে যাতে কোথাও জমায়েত না হয় সে জন্য বিশেষ নজরদারি ছিল মহানগর পুলিশের। সিলেটে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে হজরত শাহজালাল দরগাহ জামে মসজিদে।

করোনা সংক্রমণের কারণে কয়েকশো বছরের প্রাচীন শাহী ঈদগাহে কোনো ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে নগরীর প্রত্যেকটি মসজিদেই ছিল জামাতের ব্যবস্থা। এছাড়া কিশোরগঞ্জ, মেহেরপুর, লালমনিরহাট, নাটোরসহ সারা দেশে স্বাস্থ্য সতর্কতা মেনে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ এবং কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতের আয়োজনও হয়নি এবার।