হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগ এনে মিশা-জায়েদের বিরুদ্ধে প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতিতে লিখিত অভিযোগ হিরো আলমের

138
হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগ এনে মিশা-জায়েদের বিরুদ্ধে প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতিতে লিখিত অভিযোগ হিরো আলমের। ছবি-সংগৃহীত

সুপ্রভাত বগুড়া (বিনোদন): হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগ এনে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের বিরুদ্ধে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতিতে লিখিত অভিযোগ করেছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। বুধবার তিনি এই অভিযোগ করেন। 

সভাপতি বরাবর অভিযোগ পত্রে  লেখা রয়েছে, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি জনাব মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান গণমাধ্যমে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন এবং বলেছেন আমি চলচ্চিত্রের কে? এই নামে আমাকে কেউ চেনেও না, জানেনও না।’

প্রযোজক সমিতির পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে মানহানি মামলাও করবেন বলে জানিয়েছেন হিরো আলম। ঘটনার সূত্র- শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মিশা সওদাগর ও হিরো আলম।

জয় মিশা সওদাগরকে জিজ্ঞেস করেন, ‘হিরো আলম কি আপনাদের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য?’  কিন্তু প্রশ্নটি কয়েকবারেও বুঝতে পারেননি মিশা। এমনকি হিরো আলমকে চিনতেই পারছিলেন না তিনি। 

মিশা বলেন, ‘ও হ্যাঁ তিনি তো আমাদের আজীবন সদস্য। কিন্তু জায়েদ খান সেই ভুল ভাঙিয়ে দেন।’ জায়েদ বলেন, ‘না না, আমার প্রেসিডেন্ট বুঝতে পারেননি। একজন আছে যে মিউজিক ভিডিও করে, উনার কথা বলছেন। তিনি জয়ের প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলতে শুরু করেন না না হিরো আলম নামে আমরা কাউকে চিনি না।

আমরা হিরো বলতে চিনি নায়ক রাজ রাজ্জাক, হিরো বলতে চিনি আলমগীর সাহেবকে। হিরো আলম নামে কাউকে চিনি না।’ এ বিষয়য়ে গণমাধ্যমকে হিরো আলম বলেন, ‘আমাকে হেয় করে কেন কথা বললেন, এর একটা ব্যবস্থা নিতে চাই। তাই প্রযোজক সমিতির কার্যালয়ে এসেছিলাম।

জায়েদ খান হিরো আলম নামের কাউকে চেনেন না। তিনি এমন কথা কীভাবে বলেন! আমি এফডিসির কেউ না, এটা বলেন কীভাবে। আমি এফডিসির একজন প্রযোজক না, আমি সিনেমা বানাইছি এটা জানেন না। আমার কাছে কাগজপত্র আছে না!’ 

জায়েদ খানের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এফডিসিতে যাই। তিনি তো সারাদিন এফডিসির শিল্পী সমিতির অফিসে থাকেন। আমাদের দেখা হয়। তিনি আমাকে ভালো করেই চেনেন। তিনি ইচ্ছাকৃভাবে অপমান করতে এমন কথা বলেছেন। তাচ্ছিল্য করতে। আমার জনপ্রিয়তা তো জায়েদ খানের চেয়ে অনেক বেশি।

আমাকে এভাবে হেয় করে কথা বলতে পারেন না তিনি। তাই অভিযোগ করেছি। কোনো সুফল না পেলে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব।’ প্রসঙ্গত, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আকস্মিকভাবে আলোচনায় উঠে আসেন হিরো আলম।

এরপর বগুড়া থেকে ঢাকায় এসে একের পর এক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন। ‘মার ছক্কা’ নামের একটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুধু তা–ই নয়, চলচ্চিত্রে প্রযোজক হিসেবেও নাম লিখিয়েছেন আলম, ‘সাহসী হিরো আলম’ নামের সেই ছবির নায়কও তিনি।